1. khaircox10@gmail.com : admin :
৫ মামলায় জামিন হলো সাংবাদিক ফরিদের - coxsbazartimes24.com
রবিবার, ০১ অগাস্ট ২০২১, ০৯:২১ পূর্বাহ্ন

Ads

৫ মামলায় জামিন হলো সাংবাদিক ফরিদের

  • আপডেট সময় : বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২০
  • ৬৯ বার ভিউ

কক্সবাজার টাইমস২৪:
ঢাকার বাসা থেকে ধরে এনে সাজানো অস্ত্র ও ইয়াবার মামলায় জামিন পেলেন দৈনিক জনতার বাণীর সম্পাদক ফরিদুল মোস্তাফা খান। মেজর (অবঃ) সিনহার হত্যা মামলার আসামী টেকনাফের বরখাস্ত ওসি প্রদীপ কুমার দাশ তাকে এ মামলার আসামী বানিয়েছিলেন।
বুধবার (২৬ আগস্ট) বেলা সোয়া ১২টায় কক্সবাজার জেলা দায়রা জজ আদালতে অস্ত্র ও ইয়াবার মামলা শুনানী শেষে ফরিদকে জামিন আদেশ দেন বিচারক মোহাম্মদ ইসমাইল।
তার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মোট ৬ মামলা থেকে বুধবারের দুইটিসহ ৫ মামলায় জামিন পেলেন কারান্তরীন এই সাংবাদিক।
ফরিদুল মোস্তাফা খানের পক্ষে নিযুক্ত প্রধান সিনিয়র আইনজীবী মোহাম্মদ আবদুল মন্নান জামিনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাইল ফৌজদারী মিস মামলার মূলে জি.আর ১০২৫/২০১৯, (অবৈধ দুইটি অস্ত্র ও ৫ রাউন্ড গুলি) এবং জি.আর ১০২৬/২০১৯ (৪ হাজার পিচ ইয়াবা) পুলিশের সাজানো মামলা দুইটি শুনানী শেষে জামিন দেন বিজ্ঞ বিচারক।
এই মামলা দুইটি ২০১৯ সালের ২২ সেপ্টের ফরিদুল মোস্তফার বিরুদ্ধে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় দায়ের করেছিল পুলিশ।
এর আগে গত ১ মার্চ জি.আর ১০২৭/২০১৯ (বিদেশি মদ উদ্ধার) মামলায় জামিন প্রদান করেন একই আদালত।
তিনি আরো জানান, টেকনাফ থানার বরখাস্ত ওসি প্রদীপের দালাল মৌলভী মুফিজ ও জহিরের গায়েবি চাঁদাবাজির মামলা (টেকনাফ থানা মামলা নং-১১৫/২০১৯, ৩০ জুন ২০১৯) থেকে গত ১৩ আগস্ট জামিন প্রদান করেন কক্সবাজার জেলা ও দায়রাজজ মোহাম্মদ ইসমাইল।
এছাড়া ২০১৯ সালের ১৭ সেপ্টেম্বও টেকনাফ থানায় দায়েরকৃত মামলা নং-৪২/২০১৯ (জি.আর ৭৭৮/২০১৯) থেকে ১৯ আগস্ট জামিন প্রদান করেন টেকনাফের জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না ফারাহ। এ নিয়ে ফরিদুল মোস্তফার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত ৬টি মামলার মধ্যে ৫টি মামলায় জামিন হলো। আরেকটি মামলার জামিন হলেই কারামুক্ত হতে পারবেন ওসি প্রদীপ ও তার মদতপুষ্টদের হাতে নির্যাতিত সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফা। আশা করা হচ্ছে, এই মামলা থেকে তিনি শিগগিরই জামিন পাবেন। ১১ মাসের কারাবাস থেকে মুক্ত হয়ে ফিরে আসবেন স্বাভাবিক জীবনে।
২০১৯ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রাজধানীর মিরপুরের বাসা থেকে সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফা খানকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
এরপর কক্সবাজার শহরের সমিতি পাড়ার বাড়িতে তাকেসহ নিয়ে গিয়ে কথিত অভিযান চালানো হয়। ওই সময় গুলিসহ ২টি অস্ত্র, ৪ হাজার ইয়াবা ও বিপুল পরিমান বিদেশী মদের বোতল উদ্ধার হয় বলে পুলিশ দাবী করে। যদিওবা পরিবারের দাবী, এসব নাটক। সম্পূর্ণ সাজানো।
গত বছরের ৩০ জুন ফরিদুল মোস্তফা খানের বিরুদ্ধে টেকনাফ থানায় চাঁদাবাজি মামলা রুজু হয়। যার মামলা নং- ১১৫, জিআর নং-৩১৬/১৯। এরপর তাকে পুলিশ হন্য হয়ে খোঁজতে থাকে। আত্মরক্ষায় ঢাকায় আত্মগোপনে চলে যায় ফরিদুল মোস্তফা। নিরাপত্তা চেয়ে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, পুলিশের মহাপরিদর্শক বরাবর গত বছরের ২৮ জুলাই পৃথক আবেদনও করেন।
সাংবাদিক ফরিদের পরিবারের দাবী, উক্ত আবেদনের তদন্ত না করে উল্টো টেকনাফ থানা ও কক্সবাজার সদর থানা পুলিশের একটি বিশেষ টিম মিরপুর থানার পুলিশের সহায়তায় ‘ওয়ারেন্ট’ দেখিয়ে তাকে গ্রেফতার করে। আইন অনুযায়ী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কারাগারে না পাঠিয়ে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালায়।

খবরটি সবার মাঝে শেয়ার করেন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সব ধরনের নিউজ দেখুন
© All rights reserved © 2020 coxsbazartimes24
Theme Customized By CoxsMultimedia