1. khaircox10@gmail.com : admin :
জমি বেচে রেজিস্ট্রি না দিতে তালবাহানা, টাকা নিয়ে আত্নগোপন পেরতা মনজুর - coxsbazartimes24.com
রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪, ০৯:৫০ পূর্বাহ্ন

জমি বেচে রেজিস্ট্রি না দিতে তালবাহানা, টাকা নিয়ে আত্নগোপন পেরতা মনজুর

  • আপডেট সময় : শনিবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৩
  • ২৬৭ বার ভিউ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
বিভিন্ন ছলচাতুরির আশ্রয় নিয়ে জমি বিক্রির বায়নানামার নগদ ৪৫ লক্ষ টাকাসহ আত্মগোপনে চলে গেছে মনজুর আলম ওরফে পেরতা মনজুর। ক্রেতাকে নির্ধারিত সময়ে জমি রেজিস্ট্রির বদলে তালবাহানা শুরু করেছে। বিক্রিত জমি দখলে রাখতে লাঠিয়াল, সশস্ত্র সন্ত্রাসী বাহিনী ব্যবহার করা হচ্ছে।
নিজের টাকায় জমি কিনে নানাভাবে হয়রানির শিকার হাজী জহিরুল ইসলাম নামক এক ব্যক্তি। সন্ত্রাসী, দখলবাজ ও প্রতারকচক্র থেকে বাঁচতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি।

ভুক্তভোগী হাজী জহিরুল ইসলাম পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ড পশ্চিম কুতুবদিয়াপাড়ার মৃত মোক্তার হোসেনের ছেলে।

অভিযুক্ত মনজুর আলম ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামাবাদ বোয়ালখালী এলাকার মৃত হাজী সুলতান আহমদের ছেলে। বর্তমানে শহরের পানবাজার সড়কের বাসিন্দা।

হাজী জহিরুল ইসলাম বলেন, ঝিলংজা মৌজার (দক্ষিণ কলাতলী এলাকা) বিএস খতিয়ান নং-৬২০৪, সৃজিত খতিয়ান নং-২২৮২, বিএস দাগ নং- ২২১৪১/২৪৫১৯ভুক্ত ৮ শতক জমি আমাকে বিক্রি করেন মনজুর আলম। ৫২ লক্ষ টাকা দরদাম সাব্যস্ত করে গত ২৮ আগষ্ট নগদ ৪৫ লক্ষ টাকা বুঝে নেন। বিনিময়ে আমাকে ইউসিবি ব্যাংক কক্সবাজার শাখার তিনটি চেক প্রদান করেন। মনজুর আলমের প্রদত্ত দখল মতে দখল আমলের পর জমিতে সাইনবোর্ড স্থাপন ও জেলা প্রশাসনের অনুমোদনপত্র গ্রহণ করি। অনুমোদন লাভের পর বাদবাকি টাকা গ্রহণ করে রেজিস্ট্রির প্রদানের শর্ত থাকলেও প্রতারণার আশ্রয় নিয়েছেন মনজুর আলম। বিভিন্ন ধরনের তালবাহানা শুরু করেছেন। স্ত্রী, সন্তান ও সশস্ত্র সন্ত্রাসী দিয়ে জমি দখলে নিয়ে রেখেছে। আমার টাঙানো সাইনবোর্ড ভেঙ্গে ফেলেছে। জমি রেজিস্ট্রি না দিয়ে ৪৫ লক্ষ ঢাকাসহ আত্মগোপনে চলে গেছেন প্রতারক মনজুর আলম ওরফে পেরতা মনজুর। তার কোন হদিস পাওয়া যাচ্ছে না। পরিচিত মোবাইল নাম্বারও রিসিভ করে না।
জমির ক্রেতা হাজী জহিরুল ইসলাম বলেন, প্রতারক মনজুর আলম, ছেলে শাহ আমান, স্ত্রী হালিমা বেগমসহ ৫/৬ জনের বিরুদ্ধে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় অভিযোগ দিয়েছি।

সশস্ত্র সন্ত্রাসীসহ অবস্থানের খবর জানিয়ে ৯৯৯ এ ফোন করলে শুক্রবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে একদল পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

সদর থানার পুলিশ উপপুলিশ পরিদর্শক (এএসআই) মোঃ সাজেদুল কাদের সাজু বলেন, হাজী জহিরুল ইসলাম নামক এক ব্যক্তির অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে যাই। দেখি, সেখানে সাইনবোর্ড নাই। বেশ কিছু গাছ কাটা হয়েছে। জায়গাতে অবস্থান করছে অভিযুক্ত মনজুর আলমের স্ত্রীসহ কয়েকজন। তাদেরকে ঘটনার দ্রুত সমাধান করতে বলা হয়েছে। তবে মনজুর আলমকে পাওয়া যায়নি।

এদিকে, অভিযোগের বিষয়ে জানতে মনজুর আলমের মুঠোফোনে বেশ কয়েকবার চেষ্টা করা হয়। কল পড়লেও ধরেননি। পরে মোবাইল বন্ধ করে ফেলেন।

খোঁজখবর নিয়ে জানা গেছে, মনজুর আলম ওরফে পেরতা মনজুর ঠকবাজ প্রকৃতির লোক। তার বিরুদ্ধে চেক প্রতারণাসহ জালিয়াতির অভিযোগে অনেক মামলা রয়েছে। ইতোমধ্যে অসংখ্যবার জেল খেটেছে। মারধরের শিকার হয়েছে অগণিত। এসব বিষয়ে পত্র-পত্রিকা সংবাদও করেছে। তবু বন্ধ হচ্ছে না পেরতা মনজুরের প্রতারণা। তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া দরকার মনে করেছে ভুক্তভোগী লোকজন।

 

খবরটি সবার মাঝে শেয়ার করেন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সব ধরনের নিউজ দেখুন
© All rights reserved © 2020 coxsbazartimes24
Theme Customized By CoxsTech