1. khaircox10@gmail.com : admin :
তারেকের দশ ভুলে বিএনপির যত সর্বনাশ - coxsbazartimes24.com
বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৪, ১২:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রোগীদের সেবায় এভারকেয়ার হসপিটাল চট্টগ্রামের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এখন কক্সবাজারে বিআইডব্লিউটিএ অফিস সংলগ্ন নালা দখল করে মাটি ভরাট ফাসিয়াখালী মাদরাসার দাতা সদস্য পদে জালিয়াতি! প্রকাশিত সংবাদে পাহাড়তলীর আবদুর রহমানের প্রতিবাদ কক্সবাজার হজ কাফেলার উদ্যোগে হজ ও ওমরাহ কর্মশালা বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনে কক্সবাজারে ছাত্রলীগের ইফতার বিতরণ রোহিঙ্গা রেসপন্সে বিশ্বব্যাংকের ঋণকে প্রত্যাখ্যান করেছে অধিকার-ভিত্তিক সুশীল সমাজ হযরত হাফসা (রাঃ) মহিলা হিফজ ও হযরত ওমর (রাঃ) হিফজ মাদ্রাসার দস্তারবন্দী অনুষ্ঠান নারী দিবসের অঙ্গীকার, গড়বো সমাজ সমতার – স্লোগানে মুখরিত কক্সবাজার প্রকাশিত সংবাদের বিরুদ্ধে পেশকার পাড়ার ফরিদুল আলমের প্রতিবাদ

তারেকের দশ ভুলে বিএনপির যত সর্বনাশ

  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ৯৭ বার ভিউ

ডেস্ক নিউজ:
বিএনপি বর্তমানে এক দফা আন্দোলন করছে। বিএনপির অধিকাংশ নেতাই মনে করছেন, এখন এক দফা আন্দোলনে জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। এক দফা আন্দোলন নয়, বরং সরকারের সঙ্গে একটি সমঝোতা করে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে নির্বাচনে যাওয়াই কৌশলগতভাবে সুবিধাজনক। এবার আন্তর্জাতিক মহল নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবে। ২০১৮ বা ২০১৪’র মতো নির্বাচন বিএনপিকে করতে হবে না। তাছাড়া বিএনপি এখন সাংগঠনিকভাবেও অনেক শক্তিশালী। তাই নির্বাচন করলে বিএনপির ফলাফলও ইতিবাচক হতে পারে।

কিন্তু লন্ডনে পলাতক বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক জিয়া নির্বাচন নিয়ে অনড় অবস্থানে রয়েছেন। তিনি যে কোনো মূল্যে এক দফা আন্দোলন অব্যাহত রাখার পক্ষে এবং এক দফা আন্দোলনের মাধ্যমে সরকার পতন ঘটাবেন- এমন আশার বাণীও তিনি দলের নেতাদেরকে শোনাচ্ছেন। কিন্তু বিএনপিতে যারা দীর্ঘ রাজনীতিতে পরিপক্ক, অভিজ্ঞ, তারা মনে করছেন, তারেক জিয়ার ভ্রান্ত নীতির কারণে বিএনপি আরেকটি সংকটের দ্বারপ্রান্তে।

বিএনপির প্রবীণ নেতারা মনে করেন, তারেক জিয়ার কারণেই বিএনপি বারবার সংকটে পড়েছে এবং আজকের এই অবস্থার জন্য দায়ী প্রধানত তারেক জিয়াই। বিভিন্ন প্রবীণ নেতাদের সাথে কথা বলে তারেক জিয়ার ভুলে বিএনপির যে সর্বনাশ হয়েছে- এরকম দশটি ঘটনার তথ্যাদি বাংলা ইনসাইডার সংগ্রহ করেছে। পাঠকদের অবগতির জন্য তারেকের ভুলে বিএনপির দশ সর্বনাশের চিত্রটি উপস্থাপন করা হলো-

১. দশ ট্রাক অস্ত্র: ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় এসেছিল ভারতের সহায়তায়। ভারতের গোয়েন্দা সংস্থার ‘র’-এর সাথে তারেক জিয়ার একাধিক বৈঠক হয়েছিল এবং সেই বৈঠকে তারেক জিয়া ভারতকে আশ্বস্ত করেছিল, তারা ক্ষমতায় আসলে বাংলাদেশে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সংঘাত, সহিংসতা ইত্যাদি বন্ধ হবে। কিন্তু তারেক জিয়া ক্ষমতায় এসে উল্টো কাজ করেছেন। তিনি আইএস’র কাছ থেকে অর্থ নিয়ে বাংলাদেশকে বিচ্ছিন্নতাবাদের রুট হিসেবে ব্যবহার করেছিলেন। আর দশ ট্রাক অস্ত্রের ঘটনা তার একটি প্রমাণ। অনেকেই মনে করেন, দশ ট্রাক অস্ত্রের ঘটনার পরেই ভারত বিএনপির ব্যাপারে নেতিবাচক অবস্থান গ্রহণ করেছে এবং সেই অবস্থান থেকে এখনো ভারত সরে আসেনি।

২. একুশে আগস্টের গ্রেনেড হামলা: একুশে আগস্টের গ্রেনেড হামলা ছিল তারেকের আরেকটি সর্বনাশা খেলা। এই ঘটনাটি বিএনপির কোনো শীর্ষ নেতারা জানতেন না। তারেক একাই রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে নির্মূল করার জন্য এই নারকীয় যজ্ঞের পরিকল্পনা এঁটেছিল এবং এটি বিএনপিকে একটা বড় ক্ষতির মুখোমুখি দাঁড় করায়, যে ক্ষত বিএনপি এখনো সারাতে পারেনি।

৩. ড. ইয়াজদ্দিনকে রাষ্ট্রপতি করা: অধ্যাপক বদরুদ্দোজা চৌধুরীকে রাষ্ট্রপতি করার সিদ্ধান্তটি ছিল বেগম খালেদা জিয়ার। কিন্তু বদরুদ্দোজা চৌধুরী রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর তিনি জিয়ার মাজারে যান নাই, এই অভিযোগে তারেক জিয়া বদরুদ্দোজা চৌধুরীকে অপসারণ করার উদ্যোগ নেন। এইরকম পরিস্থিতির মধ্যে অধ্যাপক চৌধুরী নিজেই পদত্যাগ করেন। এরপর তারেক জিয়ার পরামর্শে ড. ইয়াজউদ্দিনকে রাষ্ট্রপতি করা হয়। এরকম একজন অযোগ্য, মেরুদণ্ডহীন, ‘জি হুজুর’ টাইপের ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি করার পরিণাম যে কি হয়, তা ১/১১’র সময় বিএনপির নেতাকর্মীরা হারে হারে টের পেয়েছে। আর এজন্য বিএনপির সিনিয়র নেতারা তারেক জিয়াকে দায়ী করেন। তারেক জিয়ার ভুল সিদ্ধান্তের কারণেই ইয়াজউদ্দিনের মতো একজন অযোগ্য, অথর্ব লোককে রাষ্ট্রপতি করা হয়েছে, যিনি দুর্যোগের সময় বিএনপিকে কোনো সাহায্যই করতে পারেননি।

৪. মঈন ইউ আহমেদকে সেনা প্রধান করা: সাতজনকে ডিঙ্গিয়ে মঈন ইউ আহমেদকে সেনাপ্রধান করাটাও ছিল তারেকের আরেকটি আত্মঘাতী, বালখিল্য সিদ্ধান্ত। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে তারেক জিয়া সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণ নিতে চেয়েছিল। কিন্তু তা বুমেরাং হয়ে যায়। মঈন ইউ আহমেদ কি করেছে?- বিএনপির নেতাদের কাছে তা নুতন করে বলার প্রয়োজন নেই।

৫. প্রধান বিচারপতির চাকরির বয়সসীমা বৃদ্ধি: তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকেও ধ্বংস করেছে তারেক জিয়া- এমনটি মনে করেন বিএনপির একাধিক নেতা। ২০০১ সালে ক্ষমতায় আসার পর বিচারপতি কে এম হাসানকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রধান করার পরিকল্পনা নিয়েছিল তারেক জিয়া। তার প্রধান কারণ ছিল, সাবেক এই বিএনপি নেতা তত্ত্বাবধায়ক সরকার হয়ে তার কথা মতো চলবে। কিন্তু আন্দোলনের মুখে শেষ পর্যন্ত বিচারপতি কে এম হাসান তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হতে অসম্মতি জানান। অনেকেই মনে করেন, এই প্রধান বিচারপতির বয়স সীমা বৃদ্ধির জন্য সংবিধান সংশোধন যদি না করা হতো, তাহলে এ ধরনের ঘটনা ঘটতো না এবং ১/১১ আসতো না।

৬. হাওয়া ভবন: বিএনপির সবচেয়ে বড় ক্ষতগুলোর একটা হলো হাওয়া ভবন এবং এই হাওয়া ভবনের মাধ্যমে তারেক জিয়া ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত সময় একটি বিকল্প সরকার গঠন করেছিল, যে বিকল্প সরকার দুর্নীতি, লুটপাটের জন্য আলোচিত ছিল। হাওয়া ভবনে টাকা না দিলে কোনো কিছুই হতো না- এমন একটি বাস্তবতা এই দেশে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। আর এই কারণেই অনেকে মনে করেন, বিএনপির একটি বড় সর্বনাশের একটি বড় কারণ হলো হাওয়া ভবন।

৭. গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের সাথে বন্ধুত্ব: তারেক জিয়া তার ব্যবসায়িক পার্টনার গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের সাথে বন্ধুত্ব করেছিল এবং এই বন্ধুত্বের কারণেই বিএনপিকে অনেক বদনামের ভাগীদার হতে হয়েছে।

৮. বেগম জিয়াকে লন্ডন থেকে বের করে দেওয়া: ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে বেগম খালেদা জিয়া লন্ডনে গিয়েছিলেন। তার ইচ্ছা ছিল যে, তিনি সেখানেই থাকবেন এবং দুর্নীতির মামলার রায় শুনবেন। রায় যদি তাঁর বিপক্ষে যায়, তাহলে তিনি পুত্রের সঙ্গে লন্ডনে বসেই দল পরিচালনা করবেন। কিন্তু তারেক জিয়া তাকে রীতিমতো গলাধাক্কা দিয়ে বের করে দেন এবং মামলার রায়ের মাত্র কয়েকদিন আগে তারেক জিয়া বেগম জিয়াকে দেশে আসতে বাধ্য করে। ওই রায়ে বেগম জিয়া কারাগারে যান এবং তার রাজনৈতিক জীবন এখন অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে। সেদিন যদি তারেক জিয়া বেগম জিয়াকে লন্ডনে রাখতো, তাহলে পরিস্থিতি অন্য রকম হতো।

৯. ২০১৮’র নির্বাচন: সরকারের সাথে কোনো রকম দর কষাকষি ছাড়াই তারেক জিয়া শুধুমাত্র মনোনয়ন বাণিজ্য করার জন্য ২০১৮’র নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিল এবং ওই নির্বাচনের ফলাফল কি হয়েছিল, তা সকলেই জানে। ওই নির্বাচনের মাশুল এখনো বিএনপিকে দিতে হয়।

১০. ২০২৩’র আন্দোলন: ২০২৩ সালে এসে তারেক জিয়া এখন আবার আন্দোলনের রূপরেখা ঘোষণা করেছে। সরকারের পতন ছাড়া নির্বাচনে যাবে না বলেও জানিয়ে দিয়েছে। এইটি বিএনপির জন্য আরেকটি আত্বঘাতী সিদ্ধান্ত হতে যাচ্ছে বলেও বিএনপির নেতাকর্মীরা মনে করেন। -বাংলা ইনসাইডার

খবরটি সবার মাঝে শেয়ার করেন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সব ধরনের নিউজ দেখুন
© All rights reserved © 2020 coxsbazartimes24
Theme Customized By CoxsTech